শখের বশে টার্কি মুরগি পালন করে লাভবান চরফ্যাশন পৌরসভার সুলতানা বিবি, উৎসাহি অনেকে

0

শখের বশে টার্কি মুরগি পালন করে লাভবান চরফ্যাশন পৌরসভার সুলতানা বিবি, উৎসাহি অনেকে

প্রথমে ৫টি টার্কি মুরগির বাচ্চা কিনে আনে সুলতানা বিবির ছেলে। সেখান থেকে বর্তমানে তার বাড়ির উঠোনে দেখা যায় ৫-১০ কেজি ওজনের ১৮টি টার্কি মুরগি। প্রতিকেজি ৪০০-৬০০ টাকা দামে বিক্রি হয় বলে আমাদের জানান সুলতানা বিবি। শুধু সুলতানা বিবি নয়, এখন টার্কি মুরগি পালনে ঝুঁকছেন চরফ্যাশনসহ দেশের অন্যান্য জায়গার মানুষ। টার্কি পালন সহজ ও রোগ-ব্যাধি কম হওয়ায় এবং এর মাংস প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় মানুষের কাছে দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। ফলে লাভাবান হচ্ছেন সুলতানা বিবির মত অনেকেই।

এ প্রসঙ্গে চরফ্যাসন উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আতিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পরিবেশে পশু পাখি পালন করা অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো। প্রোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হচ্ছে টার্কির মাংস । অনেক মানুষের একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর মাংস খেতে পারেনা কোলোস্টারলের জন্য। যেমন: হৃদ রোগ, উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের জন্য নিষিদ্ধ। সে ক্ষেত্রে টার্কি মুরগির মাংসে কোলেস্টারল নেই বলে এই মাংস সব বয়সের মানুষ খেতে পারবে। যদিও টার্কি মুরগি পালনে যতটা উৎসাহি কিন্তু এর মাংস খাওয়ায় ততটা উৎসাহি না হলেও দিন দিন মানুষের কাছে টার্কির মাংস জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। টার্কি মুরগি পালন অনেকটা লাভজনক ব্যবসা বলে জানান তিনি।

প্রতিবেদনে সুরভী ও মৌসুমী মনীষা।
প্রতিবেদনটি প্রচারি হয়েছে ১০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রেডিও মেঘনা’র সন্ধ্যার সংবাদে। শুধুমাত্র ৯৯.০ এফএম এ।

Share.

Leave A Reply