কৃষি ও কৃষক

0

তীব্র খরায় এবার বোরো ধান চাষে ক্ষেতে বেশি পানি দিতে হয়েছে। এতে ব্যয় বেড়েছে কৃষকদের। এছাড়া বীজতলা তৈরি, বীজধান কেনা, জমিচাষ, চারা রোপণ, আগাছা পরিষ্কার, ধান কাটা ও শ্রমিকের মজুরিসহ বিভিন্ন ব্যয় মেটাতে গিয়ে ঋণও করতে হয়েছে তাদের। তবে ধান যখন ঘরে ওঠার সময় হয়েছে তখনই পাওনাদারদের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন খরচের সঙ্গে মিল রেখে ধানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না চরফ্যাসনের কৃষকরা। এমনটা জানাচ্ছিলেন উপজেলার এওয়াজপুর এলাকার কৃষক আব্দুল খায়ের, আব্দুল্লাহসহ আরো কয়েকজন। ধানের দাম কম হওয়ায় বিপাকে পড়া এসব কৃষক আরো বলেন, ধান চাষে গন্ডাপ্রতি জমিতে খরচ হয়েছে চার হাজার টাকার মতো আর একগন্ডা জমির ধানের বর্তমান মূল্য সর্বচ্চো দুই হাজার টাকার মত। এতে দুই হাজার টাকা লোকসান গুনতে হবে বলে জানান কৃষক আব্দুল খায়ের। কৃষকরা আরো বলেন, কার্তিক মাসে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে ধান চাষ করেছেন। জৈষ্ঠ্য মাসে ধান বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করার কথা। এখন মাসের প্রথম সপ্তাহ চলছে। জমির মালিকদের ঋণ পরিশোধ না করলে, আগামীতে কৃষি কাজের সময় জমি পাওয়া যাবে না। তাই কম দামে ধান বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। সব মিলিয়ে কৃষকদের চোখে মুখে কৃষি কাজের প্রতি অনিহার ছাপ দেখা যায়।

কৃষি-তথ্য ও কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যা ও পরামর্শ নিয়ে আমাদের সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান ‘কৃষি ও কৃষক’। উপস্থাপনা তাসফিয়া এবং প্রযোজনায় উম্মে মেঘা।
শুনুন প্রতি বুধবার বিকেল ৫:৪০ টায়। শুধুমাত্র রেডিও মেঘনা ৯৯.০এফএম এ।

Share.

Leave A Reply