সংসারের বিভিন্ন কাজ করতে গিয়ে সন্তানদের দিকে খেয়াল রাখা সম্ভব হয় না। চোখের আড়াল হলেই ঠান্ডা পানি নিয়ে খেলাধুলা করে, খালি পায়ে মাটিতে হাঁটাহাঁটি করে। কয়েকদিন পরপরই জ্বর, সর্দি, কাঁশি হয়। ঔষধ খাওয়ানোর পর কিছুদিন ভালো থাকে আবার অসুস্থ্য হয়ে যায়। আর্থিক সমস্যার কারনে ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারে না বলে জানান, মোহাম্মদপুর ৬নং ওয়ার্ডের চার সন্তানের জননী তাসলিমা বেগম (৩৫)।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. শোভন বসাক বলেন, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সারা বাংলাদেশে দৈনিক প্রায় ৭৩ জন শিশুর মৃত্যু ঘটে। নবজাতক শিশুর নিউমোনিয়া প্রতিরোধে গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি নিশ্চিত, সঠিক সময়ে প্রসব ও গর্ভের শিশুর সঠিক ওজন নিশ্চিত করতে হবে।এছাড়াও শিশুদের নিউমোনিয়া প্রতিরোধের জন্য আবহাওয়া উপযোগী পেশাক পড়ানো, ঠান্ডা থেকে দূরে রাখা এবং সবুজ শাক-সবজি, মৌসুমী ফল ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার (বড় শিশুদের ক্ষেত্রে) দিতে হবে। সর্দি, কাঁশি ও জ্বরের মতো উপসর্গগুলো দেখা দিলে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন।
রেডিও মেঘনার সাপ্তাহিক ‘স্বাস্থ্যকথা’ আয়োজনটি শুনুন সপ্তাহের রবিবার বিকাল ০৫:০০ টায় । শুধুমাত্র রেডিও মেঘনা ৯৯.০ এফএম এ।
Recent Comments