চরফ্যাসন উপজেলায় বোরো ধান রোপনের জন্য প্রস্তুতির ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। জোয়ারের পানি এলেই জমিতে সেচের কাজ, বীজতলা থেকে ধানের চারাগাছ সংগ্রহ করেই এখন সময় কাটান কৃষকরা।

আবদুল্লাপুর ও আবুবকরপুর ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেলেও আছলামপুর, মাদ্রাজ ইউনিয়নগুলোতে প্রায়ই শেষ বোরো আবাদ।উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে এই উপজেলায় বোরো, আমন ও আউশ মৌসুমে বিপুল পরিমাণে ধান উৎপাদন হয়ে থাকে। এ বছর চরফ্যাসন উপজেলায় প্রায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে।

আবুবকরপুর ৯নং ওয়ার্ডের কৃষক মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, এবছর দুই একর জমিতে বোরো ধানের চাষ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রোপনের এক দিন আগে সেচ দিয়ে জমি প্রস্তুত এবং ধানের চারাগাছ সংগ্রহ করে রেখেছেন। আবদুল্লাহপুর ১নং ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, বীজতলা থেকে ধানের চারাগাছ সংগ্রহ করছেন কুষকরা। এসময় কৃষক মোঃ কামাল বলেন, আগামীকাল জমিতে ধান রোপণ করবো তাই চারাগাছ সংগ্রহ করি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জনাব নাজমুল হুদা বলেন, এবছর ৩০ হাজার ৭ শত ৭২ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই পুরো লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হবে বলেও আশা করেন তিনি।
এছাড়াও উত্তরাঞ্জলের তুলনায় চরফ্যাশনে নিচু জমি হওয়ায় চাষাবাদে দেড়ি হলেও অধিক ফসল উৎপাদন হয় বলেও জানান এই কর্মকর্তা।