মধুমাসের স্বাদ নিতে বাকি আর মাত্র কয়েক মাস। সেই প্রস্তুতিতে প্রকৃতি সেজেছে আপন সাজে। গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। আর আমের মুকুল মানেই কৃষকের মনে নতুন আশার আলো। যে মুকুল থেকেই আসবে সারা বছরের কাঙ্খিত ফল-সুমিষ্ট আম।
চরফ্যাসনে শশীভূষনে বিস্তৃর্ণ দিগন্তজুরে নানা জাতের আমের বাগান গড়ে তুলেছেন জাহাঙ্গীর হোসেন মিয়াজি। আজ আমরা কথা বলি মিয়াজীর খামারবাড়ি বহুমুখী প্রকল্পের ম্যানেজার মোঃ সেলিম এর সাথে।
তিনি জানান, পোনে সাতকানি জমির খামারে প্রায় ২৫ ধরণের আমগাছের পশাপাশি জামরুল, মাল্টা, লিচু ও সবেদা গাছ রয়েছে। সবচেয়ে বেশি আম গাছ যা প্রায় দেড় হাজার আম গাছ আছে।
অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর বিপুল পরিমানে আমের মুকুল এসেছে । যত্ন নেই জৈব সার দেই কীটনাশক সীমিত মাত্রায় ব্যবহারের পাশাপাশি ফোরেমন ফাঁদ দিয়ে পোকা দমন করি। পানির সেচও দেন নিয়মিত। আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলন হবে। ২ লাখ টাকা খরচে প্রায় ১ লাখ টাকা আয় হয়। ফরমালিনমুক্ত এবং গাছ থেকে পাকা আম সংগ্রহ করে বিক্রি করা হয় বলে সাধারণ মানুষের চাহিদা বেশি।
আমের আশানুরূপ ফলন পেতে আমের গুটি ঝড়া রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নাজমুল হুদা। তিনি বলেন, এখন আমের প্রধান সমস্যা গুটিঝরা। এজন্য নিয়মিত সেচ দিতে হবে। আম যখন মটর দানার মত এবং মার্বেল আকৃতির হবে এই দুই সময় স্প্রে করতে হবে। এক লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া অথবা ২ গ্রাম বোরন সার মিশিয়ে গাছের গোরা ভিজিয়ে স্প্রে করার কথা জানান তিনি।
Recent Comments