কুয়াশায় মোড়ানো পৌষের সকাল। কনকনে শীতের সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় খেজুর রসের কদর। আগের মতো খেজুর গাছের সংখ্যা না থাকলেও চরফ্যাশনের কিছু এলাকায় এখনো ঐতিহ্য ধরে রেখে গাছিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন খেজুরের রস আহরণে। এই মৌসুমে খেজুরের রস সংগ্রহ, গুড় তৈরি এবং খেজুরের রসের পিঠা-পায়েস বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
চরফ্যাশন উপজেলার মোহাম্মদপুর, হাজারীগঞ্জ, জাহানপুর, আসলামপুর ও ওমরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে যায় কম সংখ্যক খেজুরের গাছ হলেও সেগুলো থেকে নিয়মিত রস সংগ্রহ করা হচ্ছে।
মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৬নয় ওয়ার্ডের গাছি সাইদুল হক জানান, তিনি প্রায় ২৬ বছর ধরে খেজুর গাছ কাটছেন। চলতি মৌসুমে তিনি প্রায় ৫০টি খেজুর গাছ কেটেছেন। প্রতিটি গাছ থেকে সংগ্রহ করা রস প্রতি কলস ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন। কোনো কোনো গাছে প্রতিদিন এক হাঁড়ি রস পাওয়া যায়, আবার কিছু গাছে একেবারেই রস হয় না। একটি গাছে পুরো মৌসুমে সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ১৭ হাঁড়ি রস পাওয়া গেলেও, কিছু গাছে সারা মৌসুমে মাত্র এক থেকে দুই হাঁড়ি রস হয়।
মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৬নয় ওয়ার্ডের গাছি সাইদুল হক জানান, তিনি প্রায় ২৬ বছর ধরে খেজুর গাছ কাটছেন। চলতি মৌসুমে তিনি প্রায় ৫০টি খেজুর গাছ কেটেছেন। প্রতিটি গাছ থেকে সংগ্রহ করা রস প্রতি কলস ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন। কোনো কোনো গাছে প্রতিদিন এক হাঁড়ি রস পাওয়া যায়, আবার কিছু গাছে একেবারেই রস হয় না। একটি গাছে পুরো মৌসুমে সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ১৭ হাঁড়ি রস পাওয়া গেলেও, কিছু গাছে সারা মৌসুমে মাত্র এক থেকে দুই হাঁড়ি রস হয়।তিনি আরও বলেন, আগের তুলনায় এখন রসের পরিমাণ অনেক কমে গেছে, পাশাপাশি খেজুর গাছের সংখ্যাও উল্লেযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ১০টি গাছ কেটে দুই-তিনটিতে রস পান।
গাছতলা থেকেই প্রতি কলস রস ৫০০ টাকায় ও হাঁড়ি প্রতি ১৫০ টাকা ধরে বিক্রি করা হয়। পাশাপাশি রস থেকে গুড় তৈরি করে বিক্রি করেন তিনি। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার টাকার রস ও গুড় বিক্রি করেছেন বলে জানান শাইদুল হক।
Recent Comments