হাজারীগঞ্জ ০৯ নং ওয়ার্ডের ইয়কুব আলী। তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে কৃষি কাজ করছেন। এবছর ৮ শতাংশ জমিতে ফেলন ডাল চাষ করেছে। তিনি বলেন, এই ডাল জাতীয় ফসলটি পর্যাপ্ত সূর্যের আলোযুক্ত পতিত জমিতে চাষ করা যায়। ৮ শতাংশ জমিতে ফেলন ডাল চাষে খরচ হয়েছে এক হাজার দুইশত টাকা এমনটাই বলছেন ইয়াকুব আলী।
তিনি আরো জানান, ফলন আসতে আরো একমাস সময় লাগবে। প্রতি কড়া জমিতে এক থেকে দেড় মন ফলন আসলে খরচ পুষিয়ে লাভবান হওয়ার আশা করা যায়।
এদিকে চরফ্যাশন উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, আসলামপুর, হাজারীগঞ্জ, আবুবক্কপুরসহ চরফ্যাশনে বিভিন্ন উপজেলায় এবছর দুই হাজার তিনশত পনেরো হেক্টর জমিতে ফেলন ও মুঘ ডালের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সামান্য বৃষ্টি হওয়ার কারণে ডাল এখন ভালো পর্যায়ে আছে। একমাসের মাথায় কৃষকের ঘরে ফলন আসবে এমনটাই বলছেন কৃষি কর্মকর্তা।
তিনি আরো বলেন, তবে কৃষকের লক্ষ্য রাখতে হবে হলুদ মোঝাইক ভাইরাসে আক্রান্ত হলে অবশ্যই আক্রান্ত গাছটিকে জমি থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে এবং টিডো বা এম্যিনো নামক কীটনাষক স্প্রে করতে হবে।
রেডিও মেঘনার সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান “কৃষি ও কৃষক” শুনুন সপ্তাহের প্রতি বুধবার বিকাল ০৫:০০ টায়।