হাম রোগ সাধারণত শীতের শেষ এবং বসন্তের শুরুতে শুষ্ক ও ঠান্ডা আবহাওযায় সবচেয়ে বেশি ছড়ায়। এই সময়ের রোগব্যাধি বলতে হামই বেশি হয়। তবে সঠিক সময়ে প্রতিষেধক টিকা দিলে হাম হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। হাম হলে করণীয় ঘাম বা রুবেলা রোগের লক্ষন ও হাম হলে করনীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন এফসিপিএস ট্রেইনি (গাইনী এন্ড অব) যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর ডাক্তার লামিয়া রশীদ।
তিনি বলেন, হাম বা মিজেলস একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ও মারাত্মক সংক্রামক রোগ। যা মূলত শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ভেসে এটি দ্রুত ছড়ায়। হামের প্রধান লক্ষণ হলো তীব্র জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি দেখা দেয়। হাম থেকে নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের প্রদাহ, কানের প্রদাহ হতে পারে, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। এটি সাধারনত সংক্রমনের ১০ থেকে ১৪ দিন পরে প্রকাশ পায় বলে জানান ডা. লামিয়া রশিদ।
তিনি আরও বলেন, হাম প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ভ্যাকসিন। শিশুদের ০৯ মাস এবং ১৫ মাসে ২টা টিকা দেওয়া হয়ে থাকে। হাম রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রচুর পরিমানে পানি, পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে । হাম রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা ঘড়ে রাখতে হবে। এই রোগের নিদিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। তাই এই রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
স্বাস্থ্য বিষয়ক রেডিও মেঘনার সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান ‘স্বাস্থ্য কথা’। শুনুন ৯৯.০ এফএম এ সপ্তারে রবিবার বিকাল ০৫:০০ টায়।