সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে। পথচারী হিসেবে বিশেষ করে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। এই ঝুঁকি কমিয়ে আনতে স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীদের রাস্তা পারাপারে অভিবাবকদের সচেতনতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
নীলকোমল ৫ নং ওয়ার্ডের ৭ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থী মীম। বাবার কর্মব্যস্ততা আর মা ছোট ভাই ও সংসারের কাজে বস্ত থাকেন। ফলে অনেক সময় একাই রাস্তা পার হয়ে স্কুল ও প্রাইভেটে যায় মীম। রাস্তায় গাড়ি দেখে এবং আশপাশে থাকা বড়দের সাহায্য নিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হয় তাকে।
একই এলাকার অভিভাবক রিনা বেগম। তার ছেলে মোঃ তামীম চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, অনেক সময়ই শুনা যায় স্কুলে যাওয়া বা আসার সময় শিশুরা দূর্ঘটনার মুখে পরে। তাই আমার ছেলেকে সবসময় তার বাবার সাথে স্কুলে পাঠাই। আবার কখনো কখনো নিজেই সাথে যান বলেও জানান রিনা বেগম।
শিশুদের রাস্তা পারাপার সম্পর্কে নীলকমল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক সিগনাল সম্পর্কে শেখাই। একা একা রাস্তা পার না হওয়া, রাস্তার পাশ দিয়ে হাটা এবং সামনে পিছনে দেখে রাস্তা পার হওয়া ইত্যাদি।এছাড়াও শিশু শিক্ষার্থীদের সব সময় অভিবাবকরা বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া এবং বিদ্যালয় থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোর আশেপাশের সড়কে গাড়ি চলাচলে গতিসীমা নিয়ন্ত্রনে রাখা, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এড়িয়ে চললে সড়ক দূর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব বলেও জানান তিনি।
রেডিও মেঘনার সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান ‘আজকের শিশু’। অনুষ্ঠানটি শুনুন ৯৯.০ এফএমএ সপ্তাহের শুক্রবার বিকাল ০৫:০০ টায়।
Recent Comments