চরফ্যাসন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ইয়াসনুর বেগম (৩৫)। আজ থেকে ২৫ বছর আগে বিয়ে হয় তার। একে একে চারজন কন্যা সন্তান আসে তার ঘরে। মেয়েদের পড়া-শুনা করানো ছিলো স্বামীর একার আয়ে খুবই কঠিন। তখনি ইয়াসনুর বেগম সংসারের হাল ধরার আশা নিয়ে শুরু করেন তার ছোট প্রচেষ্টা।
প্রথমে পাশের বাড়ি থেকে ১০টি হাসের ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা পালন শুরু করেন। হাঁস গুলো বড় হলে বিক্রি করে প্রায় পাঁচ হাজার টাকা হাতে পান তিনি। সেই টাকা থেকে হাঁসের জন্য বড় করে বাসস্থান তৈরী করেন। বাকি টাকা দিয়ে আবারো কিছু হাঁসের বাচ্চা ক্রয় করে যতœসহকারে পালন করেন। বর্তমানে ইয়াসনুর গেবমের ২৭ টি হাঁস আছে। পাশাপাশি কিছু মুরগিও পালন করেন। এখন দৈনিক ১৫ থেকে ২০টি ডিম পান। যা বিক্রির টাকা সংসারে প্রয়োজনীয় কাজে খরচ করেন। পাশাপাশি সন্তানদের প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান হয়। মাঝে মাঝে সন্তানদের প্রাইভেট বা পরীক্ষার ফী ও অন্যান্য কাজে বেশ সহযোগীতা হয়।
দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন এবং ছোট দুই মেয়ে এখনও পড়াশুনা করছে। স্বামী নসিমন চালিয়ে আয় করেন আর স্ত্রী হাঁস-মুরগি পালন করেন। বর্তমানে দু জনের সম্মিলিত আয়ে সংসার ভালোই চলছে ইয়াসনুর বেগমের।।
রেডিও মেঘনার সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান সফলতার গল্প। শুনুন সপ্তাহের প্রতি বৃ:হস্পতিবার সকাল ০৮:২৫ মিনিটে।