চরফ্যাশনে ২টি তেল পাম্পে পেট্রোল ও অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। তেল পাম্পে ভোররাত থেকে মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ার মতো। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল সংগ্রহ করতে না পেরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ নানা পেশার মানুষ। ফলে কর্মক্ষেত্রেও পৌঁছাতে হচ্ছে বিলম্ব।
সড়কের এক পাশে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিও কর্মী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে। রাতের আধার বা প্রখর রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে তেলের জন্য অপেক্ষা করেন অনেকে। নির্দিষ্ট সময় পর তেলের পাম্প বন্ধ হয়ে গেলে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেককে খালি হাতে ফিরতে হয়। আবার অনেকে দীর্ঘ অপেক্ষার পর তেল নিয়ে হাসি মুখে ফিরেন।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন ক্রেতা জানান, প্রখর রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। জরুরি অবস্থার রোগীরা হাসপাতালে এবং কর্মজীবীরা কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারছেন না সঠিক সময়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন অনেকেই। কেউ কেউ মনে করেন, তেল বিতরন এবং মজুদে অনিয়ম চলছে। তাই এ বিষয়ে প্রশাসনের আরো বেশি তদারকির অনুরোধ ক্রেতাদের।
মেসার্স ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনের মালিক পক্ষ গোলাম সারওয়ার জানায়, প্রতিদিন যা তেল আসে তা ইউএনও ও এসিল্যান্ডের পরামর্শ ক্রমে রেশন পদ্ধতিতে তেল বিতরন করা হয়। প্রতিদিন এএনডিসি, এসিল্যান্ড এবং কোম্পানি তেলের হিসাব নেয়। প্রতিটি মোটরসাইকেলে ২শত টাকার, মাইক্রোবাসে, গাড়িতে ১০ লিটার এবং প্রাইভেট কারে ১০ লিটার করে তেল দেওয়া হয়।
Recent Comments