২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ মৌসুমে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতে সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ভোলার চরফ্যাশনে ১৮ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের বীজ, গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ, হাইব্রিড মরিচের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০ হাজার কৃষকের মাঝে গাছের চারা ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ সকাল ১১টায় চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে এ প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম ও জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ। এ সময় বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাজমুল হুদাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া, সাবেক সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন টিপু, কয়সর আহমেদ কমল, চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল গোলদার এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল মিয়াজীসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাজমুল হুদা তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, চরফ্যাশন উপজেলার মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৮০৪ জন কৃষক পরিবারের মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ জন কৃষক আমন ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার এবং ৪ হাজার ৫০০ জন কৃষক গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ, হাইব্রিড মরিচের বীজ ও সার বিনামূল্যে পাচ্ছেন।
এছাড়া ১০ হাজার কৃষকের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা ও প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, চরফ্যাশনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গাছ লাগানোর কোন বিকল্প নেই। এই অঞ্চলে বেষ্টনি গড়ে তুলতে হবে। গাছ লাগানোর ফলে আগের থেকে তুলনামূলক দূর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কম হচ্ছে যার মূলে রয়েছে সচেতনতা। আমাদের সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে তাহলে আমরা এই অঞ্চলকে দূর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারবো এমনটাই বলেন নির্বাহী কর্মকর্তা।